মূল লেখায় যান

ডেলিভারি

বাংলাদেশে অনলাইন স্টোরের ডেলিভারি চার্জ কীভাবে ঠিক করবেন

বাংলাদেশি কাস্টমার প্রথমেই যা দেখেন তার একটি ডেলিভারি চার্জ — আর বিক্রেতা হিসেবে টাকা হারানোর সবচেয়ে সহজ জায়গাও এটি। এই গাইডে সহজভাবে চার্জ ঠিক করার উপায় দেখানো হলো।

· ৬ মিনিটে পড়ুন

বাংলাদেশে অনলাইন স্টোরের ডেলিভারি চার্জ কীভাবে ঠিক করবেন

কুরিয়ারের আসল খরচ থেকে শুরু করুন

কোনো সংখ্যা বাছার আগে লিখে নিন কুরিয়ার আপনার কাছ থেকে আসলে কত নেয়: ঢাকার ভেতরে, ঢাকার আশপাশে আর ঢাকার বাইরে, COD তোলার ফি সহ। কাস্টমারের চার্জে এটা উঠে আসা উচিত, নাহলে সচেতনভাবে ঠিক করুন কতটা আপনি বহন করবেন।

এলাকাগুলো অল্প কয়েকটি জোনে ভাগ করুন

বেশিরভাগ স্টোরের জন্য দুই-তিনটি জোনই যথেষ্ট। জোন বেশি হলে সামলানো কঠিন, কাস্টমারের বোঝাও কঠিন।

  • ঢাকার ভেতরে — সাধারণত ঢাকা জেলা বা নির্দিষ্ট উপজেলা/থানা দিয়ে
  • ঢাকার আশপাশ — ঐচ্ছিক, যেসব এলাকায় কুরিয়ার আলাদা দাম নেয়
  • বাকি বাংলাদেশ — অন্য সব এলাকা

জোন অনুযায়ী নির্দিষ্ট বা ফ্রি ডেলিভারি

প্রতিটি জোনে একটি নির্দিষ্ট চার্জ কাস্টমারের বোঝা সহজ। ছোট, হালকা প্রোডাক্টে ফ্রি ডেলিভারি খুব কাজে দেয়, তবে আগে লাভের হিসাবে সেটা ধরে নিন।

অর্ডারের মূল্য বাড়াতে ফ্রি ডেলিভারির সীমা

“৳১,৫০০-এর বেশি অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি”-র মতো সীমা কাস্টমারকে আরেকটি জিনিস যোগ করতে উৎসাহ দেয়। এটা আপনার বর্তমান গড় অর্ডারের একটু ওপরে রাখুন, আর দেখে নিন সীমা ছোঁয়া সাধারণ অর্ডারের লাভে ডেলিভারির খরচ ওঠে কিনা।

কোথায় ক্যাশ অন ডেলিভারি চলবে ঠিক করুন

COD বিক্রি বাড়ায়, কিন্তু কিছু এলাকায় ফেরত পার্সেলও বাড়ায়। অনেক বিক্রেতা ঢাকার ভেতরে আর সাধারণ ডেলিভারিতে COD রাখেন, আর এক্সপ্রেস অপশন বা বেশি দামের অর্ডারে অনলাইন পেমেন্ট চান।

Ecomesta-তে যেভাবে সেট করবেন

  1. 1বিভাগ, জেলা বা উপজেলা দিয়ে জোন বানান
  2. 2প্রতিটি জোনে নির্দিষ্ট বা ফ্রি পদ্ধতি দিন
  3. 3দরকার হলে ফ্রি ডেলিভারির সীমা দিন
  4. 4পদ্ধতি অনুযায়ী COD চালু বা বন্ধ রাখুন

আজই অনলাইন স্টোর খুলতে চান?

স্টোর খুলুন, প্রোডাক্ট যোগ করুন, আর ক্যাশ অন ডেলিভারি বা অনলাইন পেমেন্টে অর্ডার নেওয়া শুরু করুন।